Brand logo light
ব্রেকিং

ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা:ইসরাইলের শতাধিক শহরে পরিস্থিতি জটিল-কেঁপে উঠছে শহর:সৌদিতে মার্কিন বিমান লক্ষ্য করে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইসরাইলের শতাধিক শহরে হামলা
ইসরাইলের শতাধিক শহরে হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ একযোগে হামলা জোরদার করায় ইসরাইল জুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলসহ দেশটির ১০০টিরও বেশি শহরে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজানো হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সঙ্গে একই সময়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

হাইফায় ক্ষয়ক্ষতি

ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হাইফা-তে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।
ইসরাইলি রেডিও জানিয়েছে, হাইফা উপসাগরীয় এলাকায় বেশ কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সৌদিতে মার্কিন বিমান লক্ষ্য করে হামলা

এদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক গোয়েন্দা বিমান ধ্বংসের দাবি করেছে। শুক্রবার সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় এই ঘটনা ঘটে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, হামলায় একটি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। একই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১২ সেনা আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমান

ই-৩ সেন্ট্রি মডেলের এই বিমানটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি উন্নত রাডারের মাধ্যমে কয়েকশ কিলোমিটার দূরের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে এবং তাৎক্ষণিক যুদ্ধ পরিস্থিতির তথ্য সরবরাহ করে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ ধরনের মাত্র ১৬টি বিমান রয়েছে। প্রতিস্থাপন করতে হলে ব্যবহার করতে হবে ই-৭ ওয়েজটেইল, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও হিজবুল্লাহর সমন্বিত হামলা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে পারে। এতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ার পাশাপাশি বড় শক্তিগুলোর সরাসরি সম্পৃক্ততার আশঙ্কাও বাড়ছে।

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রেকিং

View more
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড। চিকিৎসাধীন অনেকে হামে আক্রান্ত।
হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: দেশজুড়ে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে হাম রোগ

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : গত কয়েক সপ্তাহে দেশে হাম সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৬ হাজারের বেশি সন্দেহজনক রোগী, প্রায় ৫ হাজার নিশ্চিত সংক্রমণ এবং ১৬ জনের মৃত্যু—এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, এটি একটি দ্রুত বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ইঙ্গিত। প্রশ্ন হচ্ছে—যে রোগ প্রতিরোধযোগ্য, সেটি কেন আবার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে?  সংক্রমণের বিস্তার: নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে কি পরিস্থিতি? স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: সংক্রমণ আর কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নয় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ মৃত্যু জেলা হিসেবে টাঙ্গাইল শীর্ষে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহেও দ্রুত বিস্তার এটি স্পষ্ট করে যে, সংক্রমণ এখন “লোকালাইজড আউটব্রেক” নয়, বরং “কমিউনিটি ট্রান্সমিশন”-এর দিকে এগোচ্ছে।  হাসপাতাল ব্যবস্থায় চাপ: ভেতরের চিত্র কী বলছে? গত সময়ে: নতুন ভর্তি: ৮২৬ জন ছাড়পত্র: ২,৬৫৪ জন সংখ্যা দেখলে মনে হতে পারে রোগী কমছে, কিন্তু চিকিৎসকদের মতে বাস্তবতা ভিন্ন: শিশুদের মধ্যে জটিলতা বেশি আইসিইউতে নিতে হচ্ছে অনেককে নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কে সংক্রমণ বাড়ছে অর্থাৎ, রোগের তীব্রতা আগের তুলনায় বেশি জটিল হয়ে উঠছে। কেন বাড়ছে জটিলতা? বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে: হাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় ফলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন (নিউমোনিয়া, এনসেফালাইটিস) দ্রুত হয় একজন চিকিৎসকের ভাষায়: “অনেক পরিবার এখনো হামকে সাধারণ জ্বর-ফুসকুড়ি মনে করে, চিকিৎসা নিতে দেরি করে—এটাই মৃত্যুঝুঁকি বাড়াচ্ছে।”  মূল সমস্যা: টিকাদান ব্যবস্থার ফাঁকফোকর? অনুসন্ধানে উঠে আসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ: ১. অপূর্ণ টিকাদান কাভারেজ অনেক শিশু নিয়মিত টিকা পায় না শহরের বস্তি ও গ্রামীণ অঞ্চলে ঝুঁকি বেশি ২. ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল ধারণা কিছু পরিবার টিকা নিতে অনাগ্রহী সামাজিক গুজব ও ভুল তথ্য বড় ভূমিকা রাখছে ৩. পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ দুর্বল স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রিপোর্টিং বিলম্বিত  ঢাকায় বেশি মৃত্যু—কেন? রাজধানীতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নত হলেও: অতিরিক্ত রোগীর চাপ দেরিতে হাসপাতালে আসা জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ায় দ্রুত সংক্রমণ ফলে মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি। বাস্তবতা কি আরও ভয়াবহ? প্রতিবেদনে আগে ৯ জন মৃত্যু বলা হলেও পরে তা ১৬-তে উন্নীত হয়েছে। এটি ইঙ্গিত করে: ডাটা আপডেটে বিলম্ব বাস্তব পরিস্থিতি হয়তো আরও গুরুতর  ঝুঁকিতে কারা সবচেয়ে বেশি? ৬ মাস থেকে ৫ বছরের শিশু অপুষ্টিতে ভোগা শিশু যাদের টিকা সম্পূর্ণ হয়নি এখনই কী করা জরুরি? ✔️ জরুরি পদক্ষেপ: জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা দ্রুত শনাক্তকরণ ও আইসোলেশন গণসচেতনতা বাড়ানো ✔️ দীর্ঘমেয়াদি: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ডিজিটাল নজরদারি কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ানো ভ্যাকসিন বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণা দূর করা সতর্ক না হলে কী হতে পারে? হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ—তবুও এটি যদি প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে, তাহলে সেটি শুধু ভাইরাসের শক্তি নয়, বরং আমাদের সিস্টেমের দুর্বলতার প্রতিফলন। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন:  আমরা কি এটিকে আরেকটি বড় জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ে রূপ নিতে দেব, নাকি এখনই কঠোর পদক্ষেপ নেব?

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
গাজীপুরে ডিসি

গাজীপুরে ৭৫ কোটি টাকার প্রতারণা নস্যাৎ: ভুয়া ক্ষমতার আড়ালে সংগঠিত জালিয়াতির ভয়ংকর চক্র

হরমুজ প্রণালি

হরমুজ প্রণালি অবরোধ: ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি, কূটনীতির নতুন অগ্নিপরীক্ষা

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি)

এলপিজি বাজারে কৃত্রিম সংকট,দামে নৈরাজ্য:ভোক্তা নিঃস্ব, নজরদারি সংস্থাগুলো নিষ্ক্রিয়

বরিশালে বাড়ছে হাম
হামের সংক্রমণ বাড়ছে: পাঁচ বিভাগে ৪৬৭ রোগী হাসপাতালে, শিশুরাই বেশি ঝুঁকিতে

বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। দেশের পাঁচ বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে মোট ৪৬৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই শিশু। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে রাজশাহী বিভাগে, যেখানে ২৮০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি। খুলনায় ১০০ জন, বরিশালে ৩৭ জন, চট্টগ্রামে ২৬ জন এবং সিলেটে ২৪ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। চট্টগ্রাম: নতুন ভর্তি, কিন্তু উপজেলায় স্থিতিশীলতা গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৬ জন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে জেলার ১৫টি উপজেলায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি। এ পর্যন্ত ৫৫ জন সন্দেহভাজন রোগীর মধ্যে ৮ জনের শরীরে পরীক্ষায় হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। নতুন করে আরও ১৬টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। খুলনা: কুষ্টিয়ায় সবচেয়ে বেশি রোগী খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১০০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে কুষ্টিয়ায় সর্বোচ্চ ৫৯ জন। যশোরে ১৬ জন, সাতক্ষীরায় ৬ জনসহ অন্যান্য জেলাতেও রোগী রয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। সিলেট: আইসোলেশনে চিকিৎসা, কিছু রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক সিলেটে গত কয়েক দিনে ৪৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪ জন। তাদের সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বরিশাল: এক বছরে ১১১ আক্রান্ত, মৃত্যু ১ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ৩৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। চলতি বছরে এখানে মোট ১১১ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে হাম দ্রুত নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। রাজশাহী: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছয় মাসের নিচের শিশু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ২৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাধারণত ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়, কিন্তু তার আগেই শিশুদের আক্রান্ত হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
জ্বালানি তেল

জ্বালানি মজুত যথেষ্ট, তবু বাজারে অস্বস্তি : কৃত্রিম সংকটের পেছনে ‘সিন্ডিকেট’?

গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ মাসের শিশুর মৃত্যু

গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গে ১০ মাসের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে এলাকাবাসী

ইসরাইলের শতাধিক শহরে হামলা

ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা:ইসরাইলের শতাধিক শহরে পরিস্থিতি জটিল-কেঁপে উঠছে শহর:সৌদিতে মার্কিন বিমান লক্ষ্য করে হামলা

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধ: টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন, এক মাসে বাড়ছে প্রাণহানি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ব্যাপক হারে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন পেন্টাগনের কর্মকর্তারা। যুদ্ধ শুরুর মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে ৮৫০টির বেশি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সামরিক সূত্র বলছে, টমাহক মূলত নৌযান ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা এক হাজার মাইলেরও বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। তবে এর উৎপাদন সীমিত—বর্তমানে বছরে মাত্র কয়েকশ ইউনিট তৈরি হয়। ফলে দ্রুত ব্যবহারের কারণে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে টমাহকের বর্তমান মজুত “চিন্তার বিষয়” হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামরিক পরিভাষায় তারা “উইনচেস্টার”-এর কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন—অর্থাৎ গোলাবারুদ প্রায় শেষের দিকে। ২০০৪ সাল থেকে ব্যবহৃত আধুনিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র জিপিএস ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। তবে প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে এবং এর একক মূল্য সর্বোচ্চ ৩.৬ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে পেন্টাগন। এক মাসে যুদ্ধের বিস্তার ও ক্ষয়ক্ষতি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে আজ এক মাস পূর্ণ হলো। সংঘাতটি শুধু ইরানেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৯০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু এলাকা, হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। জাতিসংঘে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি রেড ক্রিসেন্টের প্রতিনিধি মারিয়া মার্টিনেজ জানান, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারের সময় অনেক উদ্ধারকর্মী নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মরদেহ দেখতে পান—যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাই তুলে ধরে। প্রতিবেশী দেশগুলোতেও প্রভাব ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও হামলার প্রভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সেখানে ২ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ১,১৪২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২২ জন শিশু। আহত হয়েছেন আরও ৩,৩১৫ জন। ইরাকে অন্তত ৯৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির কুর্দিস্তান অঞ্চলে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। অন্যদিকে, পশ্চিম তীরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। ইসরাইল জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে অন্তত ১৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননে চারজন ইসরাইলি সেনাও নিহত হয়েছেন। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় চাপ মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড-এর মোট মজুতের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু রাডার সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যা পুনঃস্থাপন করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। এর ফলে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো এখন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যে ইসরাইলের কিছু বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। এখন তাদের লক্ষ্য প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাডার উৎপাদনকারী কারখানাগুলো ধ্বংস করা।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
বরিশাল-ঢাকা লঞ্চ

বরিশাল-ঢাকা ও ঢাকা-চাঁদপুর নৌপথে লঞ্চ ভাড়া বৃদ্ধি, কেবিন টিকিট কালোবাজারে : ভাড়া নির্ধারণে স্বচ্ছতার অভাব

পদ্মায় বাসডুবি

দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: নিহত ২৫, নিখোঁজ ৮

খারগ দ্বীপ

হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে! ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

অর্থনীতি

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানিতে সীমাবদ্ধতা, বাজেটে সতর্কতার পরামর্শ দিলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0




অপরাধ

বিয়াম ফাউন্ডেশন

বিয়াম ভবনে বিস্ফোরণ ও হত্যাকাণ্ড:পরিকল্পিত নাশকতার অভিযোগ, এক বছরেও থমকে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধান

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল চিকন ধান ‘জিএইউ ধান ৪’: স্বল্পমেয়াদী, উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ আউশ ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0