Brand logo light
অন্যান্য...

Middle East Airspace Disruption Hits Global Flights

Middle East Airspace Closures Disrupt Global Flights, Experts Say Major Airlines Remain Safe

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
Emirate
Emirate

Thousands of international travellers are experiencing flight delays and cancellations as rising tensions in the Middle East trigger widespread airspace closures and temporary airport shutdowns across the region.

Three major aviation hubs that connect Europe and Africa with Asia and Australia — Doha, Dubai, and Abu Dhabi — have suspended or limited operations amid the conflict.

Major regional carriers including Emirates, Qatar Airways, and Etihad Airways initially halted several services, though some flights have gradually resumed.

Despite the disruption, aviation experts stress that the airlines themselves remain among the safest in the world.

According to AirlineRatings.com, the safety reputation of these Middle Eastern carriers remains unchanged.

“The airlines themselves remain safe operators,” said Sharon Peterson, chief executive of AirlineRatings. “The concern during conflicts is usually the safety of the surrounding airspace rather than the airlines.”

Top Full-Service Airlines for 2026

AirlineRatings recently released its list of the world’s top full-service airlines for 2026. The top 10 include:

  1. Etihad Airways

  2. Cathay Pacific

  3. Qantas

  4. Qatar Airways

  5. Emirates

  6. Air New Zealand

  7. Singapore Airlines

  8. EVA Air

  9. Virgin Australia

  10. Korean Air

Among them, Emirates and Qatar Airways retain the organisation’s highest seven-star safety rating, while Etihad Airways — ranked the world’s safest airline for 2026 — holds a Seven Star Plus safety rating, a distinction unique in the region.

Passenger reviews, however, show comparatively lower scores, with Etihad rated 4.6/7, Emirates 5/7, and Qatar Airways 5.7/7.

Peterson explained that while AirlineRatings sometimes deducts safety stars for airlines operating in regions facing major political or environmental risks, the current geopolitical tensions do not affect the operational safety standards of these carriers.

She noted that the situation differs significantly from the Russia‑Ukraine War, where sanctions directly affected airlines.

During that conflict, Russian airlines operating aircraft manufactured by Boeing and Airbus faced serious maintenance challenges due to restrictions on spare parts and certified servicing.

Travellers Face Ongoing Uncertainty

For travellers, the biggest challenge remains uncertainty.

“The frustrating part of this situation is that no one knows when it will end,” Peterson said.

While natural events such as volcanic eruptions can disrupt air travel for days or weeks, experts say geopolitical conflicts are far harder to predict and could affect travel for months.


Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্যান্য...

View more
সংযুক্ত আরব আমিরাত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইতিহাস এবং স্বাধীনতা

সংযুক্ত আরব আমিরাত হওয়ার আগে, এই অঞ্চলটি ব্রিটিশ সুরক্ষার সাথে ট্রাসিয়াল স্টেটস নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালে, ছয়টি আমিরাত নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠিত হয়, যার মধ্যে রাস আল খাইমা ১৯৭২ সালে পরে যোগদান করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার মাত্র কয়েকদিন আগে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় ইরান গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত হিসেবে পুনর্গঠনের আগে, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ট্রুসিয়াল স্টেটস নামে পরিচিত করা হত, যা হরমুজ প্রণালী থেকে পশ্চিমে পারস্য উপসাগর বরাবর বিস্তৃত শেখ রাজ্যের একটি সমষ্টি ছিল। এটি কোনও দেশ ছিল না, বরং প্রায় ৩২,০০০ বর্গমাইল (৮৩,০০০ বর্গকিলোমিটার) জুড়ে ছড়িয়ে থাকা শিথিলভাবে সংজ্ঞায়িত উপজাতি গোষ্ঠীর একটি বিস্তৃত অঞ্চল ছিল, যা মেইন রাজ্যের আকারের সমান।   আমিরাতের আগে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই অঞ্চলটি স্থানীয় আমিরদের মধ্যে স্থলভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জর্জরিত ছিল, যখন জলদস্যুরা সমুদ্রে অভিযান চালাত এবং রাজ্যের তীরগুলিকে তাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত। ভারতের সাথে বাণিজ্য রক্ষার জন্য ব্রিটেন জলদস্যুদের উপর আক্রমণ শুরু করে । এর ফলে চুক্তিবদ্ধ রাজ্যের আমিরদের সাথে ব্রিটিশদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৮২০ সালে ব্রিটেন একচেটিয়াতার বিনিময়ে সুরক্ষা প্রদানের প্রস্তাব দেওয়ার পর এই সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ব্রিটেনের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি গ্রহণ করে আমিররা কোনও শক্তির কাছে কোনও জমি ছেড়ে না দেওয়ার বা ব্রিটেন ছাড়া অন্য কারও সাথে কোনও চুক্তি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী বিরোধ নিষ্পত্তি করতেও সম্মত হয়। অধীনস্থ সম্পর্কটি ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দেড় শতাব্দী স্থায়ী ছিল।   ব্রিটেন হাল ছেড়ে দেয় ততক্ষণে, ব্রিটেনের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন রাজনৈতিকভাবে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল এবং আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। ১৯৭১ সালে ব্রিটেন বাহরাইন , কাতার এবং সাতটি আমিরাত নিয়ে গঠিত ট্রাসিয়াল রাজ্যগুলিকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্রিটেনের মূল লক্ষ্য ছিল নয়টি সত্তাকে একত্রিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ ফেডারেশনে পরিণত করা।   বাহরাইন এবং কাতার দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে, নিজেদের স্বাধীনতাকেই প্রাধান্য দেয়। একটি ব্যতিক্রম ছাড়া, আমিরাত যৌথ উদ্যোগে সম্মত হয়, যদিও এটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়েছিল: আরব বিশ্ব তখন পর্যন্ত কখনও বিভিন্ন ধরণের আমিরদের একটি সফল ফেডারেশনের কথা জানত না, এমনকি বালুকাময় ভূদৃশ্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট অহংকার সহ ঝগড়া-প্রবণ আমিরদের কথা তো দূরের কথা।   স্বাধীনতা: ২রা ডিসেম্বর, ১৯৭১ ফেডারেশনে যোগদানের জন্য সম্মত হওয়া ছয়টি আমিরাত হল আবুধাবি, দুবাই , আজমান, আল ফুজাইরাহ, শারজাহ এবং কুয়েন। ১৯৭১ সালের ২রা ডিসেম্বর, ছয়টি আমিরাত ব্রিটেন থেকে তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং নিজেদেরকে সংযুক্ত আরব আমিরাত বলে অভিহিত করে। (রাস আল খাইমাহ প্রথমে অস্বীকৃতি জানায়, কিন্তু অবশেষে ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেশনে যোগ দেয়)।   সাতটি আমিরাতের মধ্যে সবচেয়ে ধনী আবুধাবির আমির শেখ জায়েদ বিন সুলতান ছিলেন ইউনিয়নের প্রথম সভাপতি, তার পরে ছিলেন দ্বিতীয় ধনী আমিরাত দুবাইয়ের শেখ রশিদ বিন সাঈদ। আবুধাবি এবং দুবাইতে তেলের মজুদ রয়েছে। বাকি আমিরাতগুলিতে তেলের মজুদ নেই। ইউনিয়ন ব্রিটেনের সাথে বন্ধুত্বের চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং নিজেদেরকে আরব জাতির অংশ ঘোষণা করে। এটি কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক ছিল না এবং আমিরাতের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থামেনি।   ইউনিয়নটি ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল দ্বারা শাসিত হত, যা পরবর্তীতে সাতটিতে নামিয়ে আনা হয় - অনির্বাচিত আমিরদের প্রত্যেকের জন্য একটি করে আসন। ৪০ আসনের আইনসভার ফেডারেল জাতীয় কাউন্সিলের অর্ধেক সাত আমির দ্বারা নিযুক্ত হন; ২০ জন সদস্য ৬,৬৮৯ জন আমিরতি দ্বারা ২ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন, যার মধ্যে ১,১৮৯ জন মহিলাও রয়েছেন, যাদের সকলেই সাতজন আমির দ্বারা নিযুক্ত হন। আমিরাতে কোনও অবাধ নির্বাচন বা রাজনৈতিক দল নেই।   ইরানের পাওয়ার প্লে আমিরাত তাদের স্বাধীনতা ঘোষণার দুই দিন আগে, ইরানি সৈন্যরা পারস্য উপসাগরের আবু মুসা দ্বীপে এবং পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথে হরমুজ প্রণালীর উপর আধিপত্য বিস্তারকারী দুটি তুম্ব দ্বীপে অবতরণ করে। এই দ্বীপপুঞ্জগুলি রাস আল খাইমাহ আমিরাতের অন্তর্গত ছিল।   ইরানের শাহ যুক্তি দিয়েছিলেন যে ব্রিটেন ১৫০ বছর আগে অন্যায়ভাবে আমিরাতকে দ্বীপপুঞ্জগুলি হস্তান্তর করেছিল। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, প্রণালী দিয়ে ভ্রমণকারী তেল ট্যাঙ্কারগুলির দেখাশোনার জন্য তিনি সেগুলি পুনরায় দখল করছিলেন। শাহের যুক্তি যুক্তির চেয়ে বেশি সুবিধাজনক ছিল: আমিরাতের তেল পরিবহনকে বিপন্ন করার কোনও উপায় ছিল না, যদিও ইরানের তা ছিল।   জটিলতার মধ্যে ব্রিটেনের স্থায়ী জটিলতা তবে, ইরানি সৈন্যদের অবতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল শারজা আমিরাতের শেখ খালেদ আল কাসেমুর সাথে নয় বছর ধরে ৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে এবং ইরানের প্রতিশ্রুতি ছিল যে যদি দ্বীপে তেল আবিষ্কৃত হয়, তাহলে ইরান এবং শারজা আয় ভাগ করে নেবে। এই ব্যবস্থার ফলে শারজার শাসকের জীবন নষ্ট হয়: শেখ খালিদ ইবনে মুহাম্মদকে একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টায় গুলি করে হত্যা করা হয়।   ব্রিটেন নিজেই দখলদারিত্বে জড়িত ছিল কারণ তারা স্বাধীনতার একদিন আগে ইরানি সৈন্যদের দ্বীপটি দখল করতে দিতে স্পষ্টভাবে সম্মত হয়েছিল।   ব্রিটেনের নজরদারিতে দখলদারিত্বের সময় নির্ধারণের মাধ্যমে, ব্রিটেন আশা করেছিল যে তারা আন্তর্জাতিক সংকটের বোঝা থেকে আমিরাতকে মুক্ত করবে। কিন্তু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ কয়েক দশক ধরে ইরান এবং আমিরাতের মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলেছিল। ইরান এখনও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে।   সূত্র এবং আরও তথ্য আবেদ, ইব্রাহিম এবং পিটার হেলিয়ার। "সংযুক্ত আরব আমিরাত: একটি নতুন দৃষ্টিকোণ।" লন্ডন: ট্রাইডেন্ট প্রেস, ২০০১।  ম্যাটেয়ার, থমাস আর. "তিনটি অধিকৃত সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্বীপপুঞ্জ: টুনবস এবং আবু মুসা।" আবুধাবি: এমিরেটস সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ, ২০০৫। পটস, ড্যানিয়েল টি. "আমিরাতের ভূমিতে: সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রত্নতত্ত্ব এবং ইতিহাস।" লন্ডন: ট্রাইডেন্ট প্রেস, ২০১২।  সাইদ জাহলান, রোজমেরি। "সংযুক্ত আরব আমিরাতের উৎপত্তি: সমঝোতা স্থিতির একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস।" লন্ডন: রাউটলেজ, ১৯৭৮।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
Emirate

Middle East Airspace Closures Disrupt Global Flights, Experts Say Major Airlines Remain Safe

Etihad Airways

Etihad reveals daily limited flight schedule

British Airways

British Airways cancels all Abu Dhabi flights until further notice

ইত্তেহাদ নিউজ
ইত্তেহাদ নিউজ: আন্তর্জাতিক বাংলা অনলাইন সাংবাদিকতায় নতুন দিগন্ত

  বাংলা ভাষাভিত্তিক আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলি তুলে ধরছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইত্তেহাদ নিউজ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দৃঢ় অবস্থান ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ প্রকৃত তথ্য জানতে পারে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই সংবাদমাধ্যম। নৈতিক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— সততা ও নির্ভুলতা: সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা হয়। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরিচয় গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকে। মিথ্যা সংবাদ বর্জন: বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে ইত্তেহাদ নিউজ। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই সংবাদমাধ্যমের অন্যতম লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। যেমন— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত ধর্ম, প্রযুক্তি ও মিডিয়া ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তাই যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় এই সংবাদমাধ্যম। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করাই ইত্তেহাদ নিউজের অঙ্গীকার। 📌 আরও সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ ফিচার পেতে ভিজিট করুন: 👉 https://www.etihad.news

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইত্তেহাদ নিউজ

ইত্তেহাদ নিউজ: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সাহসী ও নির্ভরযোগ্য একটি বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এআই কনটেন্ট

এআই কনটেন্টে বদলে যাচ্ছে ডিজিটাল নির্মাণের ধারণা

গুগলে সার্চ
গুগল সার্চ: ইন্টারনেটের যুগান্তকারী শক্তি

গত দশকে ইন্টারনেটের ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে গেছে। এক ক্লিকেই তথ্য পাওয়া, শেখা ও বিনোদনের সুযোগ ইন্টারনেটকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ করে দিয়েছে। তবে ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা শুধু ব্যবহারের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়; সার্চের প্রযুক্তিও ক্রমবর্ধমান উন্নতি করেছে। প্রাথমিক সময়ে ইয়াহু, আর্চি, লাইকোস এবং আল্টা ভিস্তার মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলো জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুগল সার্চ ইঞ্জিন প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি সার্চ ইঞ্জিনগুলোর ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে। গুগল মূলত যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি শুধু সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং ইন্টারনেটের তথ্য ব্যবস্থাপনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ইন্টারনেটে কিছু খুঁজতে হলে বিশ্বজুড়ে গুগলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।   ক্রম শব্দ যতবার সার্চ করা হয়েছে ১ Facebook ১.৪ বিলিয়ন ২ Youtube ১.২ বিলিয়ন ৩ Google ৫৯৪.১ মিলিয়ন ৪ Gmail ৪২৮.৬ মিলিয়ন ৫ Amazon ৩৫০.৭ মিলিয়ন ৬ Weather ২৯৯.৪ মিলিয়ন ৭ Hotmail ২৭২.১ মিলিয়ন ৮ Translate ২৬৬.৭ মিলিয়ন ৯ google translate ২৪৩.৬ মিলিয়ন ১০ Instagram ২২৪.৭ মিলিয়ন ১১ Traductor ২২০.৯ মিলিয়ন ১২ Fb ২১৪ মিলিয়ন ১৩ Whatsapp web ২০৯.৭ মিলিয়ন ১৪ Clima ২০১.৮ মিলিয়ন ১৫ Cricbuzz ১৪২.৪ মিলিয়ন ১৬ google maps ১৪১.৫ মিলিয়ন ১৭ Yahoo ১২৬.৬ মিলিয়ন ১৮ Maps ১০৮.১ মিলিয়ন ১৯ Netflix ১০৫.৭ মিলিয়ন ২০ yahoo mail ১০৫ মিলিয়ন ২১ Ebay ১০০.১ মিলিয়ন ২২ you tube ৯৪.৮ মিলিয়ন ২৩ Twitter ৯১.৯ মিলিয়ন ২৪ Tiempo ৯১.৪ মিলিয়ন ২৫ Вк ৯০.১ মিলিয়ন ২৬ Yt ৮৩.১ মিলিয়ন ২৭ Facebook login ৮২.৯ মিলিয়ন ২৮ Погода ৮২.১ মিলিয়ন ২৯ Tradutor ৮০.১ মিলিয়ন ৩০ Outlook ৭৪.১ মিলিয়ন ৩১ Переводчик ৬৫.৪ মিলিয়ন ৩২ Whatsapp ৬৫ মিলিয়ন ৩৩ Walmart ৬৪.৮ মিলিয়ন ৩৪ Coronavirus ৬৪.৪ মিলিয়ন ৩৫ Meteo ৬৯.৬ মিলিয়ন ৩৬ Livescore ৫৮.৫ মিলিয়ন ৩৭ BBC News ৫৬.৬ মিলিয়ন ৩৮ News ৫৬.৩ মিলিয়ন ৩৯ previsão do tempo ৫৬.১ মিলিয়ন ৪০ Satta ৫৬.১ মিলিয়ন ৪১ satta king ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪২ Sarkari result ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪৩ Ютуб ৫৩.৮ মিলিয়ন ৪৪ Roblox ৫২.৬ মিলিয়ন ৪৫ google traduction ৫২.২ মিলিয়ন ৪৬ Olx ৫০.৬ মিলিয়ন ৪৭ satta Matka ৪৫.৮ মিলিয়ন ৪৮ Pinterest ৪৫.৩ মিলিয়ন ৪৯ Restaurants ৪৪.৯ মিলিয়ন ৫০ Wetter ৪৪.৭ মিলিয়ন   গুগল সার্চের কাজের পদ্ধতি গুগল কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য অ্যালগরিদম ও আর্কিটেকচার জানা জরুরি। গুগল সার্চের ফলাফল তৈরি করার জন্য প্রধানভাবে তিনটি উপাদান ব্যবহার করে: স্পাইডার বা ক্রলার: এটি একধরনের স্বয়ংক্রিয় বট, যা ওয়েবের বিভিন্ন পেজ ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে ইনডেক্সে রাখে। সার্চ রেজাল্টে কোন ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হবে, তা এই স্পাইডার নির্ধারণ করে। কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি: গুগলের বিশাল আয়তনের কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি সার্চ রেজাল্ট সাজানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে। অ্যালগরিদম: ব্যবহারকারীর সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্য গুগল অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই অ্যালগরিদম নিশ্চিত করে যে, ব্যবহারকারী যেই শব্দটি সার্চ করেছেন, সেই শব্দযুক্ত কনটেন্ট বা ওয়েবসাইটই তালিকার শুরুর দিকে দেখানো হবে। গুগল ট্রেন্ডস: কোন কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ হয় গুগলে কোন বিষয় বা কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে, তা জানতে গুগল ট্রেন্ডস (Google Trends) ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়। এখানে গ্রাফ ও মানচিত্রের মাধ্যমে প্রতিটি অঞ্চলে কী কী শব্দ সার্চ হচ্ছে, তা সহজেই দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি জানতে পারবেন কোন শব্দ কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, বা সময়ের সঙ্গে কী কীওয়ার্ডের সার্চ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ৫০টি শব্দের তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে, যা বিভিন্ন নিউজ ও অনলাইন গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   ইন্টারনেট ও সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি তথ্যের সহজলভ্যতা ও ট্রেন্ড বিশ্লেষণও আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গুগল সার্চ শুধুমাত্র তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মনোভাব ও আগ্রহের প্রতিফলনও। গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে ব্যবসা, শিক্ষা, মিডিয়া ও গবেষণার জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
মাদক

বাংলাদেশে মাদকের ভয়াবহ প্রভাব

ইত্তেহাদ নিউজ

সততা, নিরপেক্ষতা ও সাহসী সাংবাদিকতার নির্ভরযোগ্য জনপ্রিয় অনলাইন ইত্তেহাদ নিউজ

ইত্তেহাদ নিউজ

ডিজিটাল ও স্মার্ট সাংবাদিকতায় ‘ইত্তেহাদ নিউজ’

অর্থনীতি

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানিতে সীমাবদ্ধতা, বাজেটে সতর্কতার পরামর্শ দিলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0




অপরাধ

বিয়াম ফাউন্ডেশন

বিয়াম ভবনে বিস্ফোরণ ও হত্যাকাণ্ড:পরিকল্পিত নাশকতার অভিযোগ, এক বছরেও থমকে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধান

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল চিকন ধান ‘জিএইউ ধান ৪’: স্বল্পমেয়াদী, উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ আউশ ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0