Brand logo light
খেলাধুলা

বিসিবি নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের আত্মীয়দের প্রভাব, একাধিক পরিচালক হচ্ছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৩, ২০২৬ 0
ক্রিকেট বোর্ড
ক্রিকেট বোর্ড

 ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন :বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ঘিরে আবারও সামনে এসেছে দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন। এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের একটি বড় অংশই বর্তমান সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য, মন্ত্রী কিংবা শীর্ষ নেতাদের আত্মীয়স্বজন—যাদের কেউ কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নথি, প্রার্থীদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিসিবির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কাঠামোতে রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

একক প্রার্থী, নিশ্চিত পরিচালক

বিসিবি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান শুক্রবার (২২ মে) জানান, তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

তবে নির্বাচন শুরুর আগেই কয়েকটি বিভাগে ফল কার্যত নির্ধারিত হয়ে গেছে।

রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে পরিচালক পদের বিপরীতে মাত্র একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে।

রংপুর বিভাগ থেকে একমাত্র প্রার্থী বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সল আমীন।

রাজশাহী বিভাগে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়া–২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের ছেলে মীর শাকরুল আলম।

সিলেট বিভাগে একমাত্র প্রার্থী আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের সরকার নিযুক্ত প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই পরিচালক হওয়ার এই প্রবণতা নির্বাচনী প্রতিযোগিতার সীমাবদ্ধতা এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক প্রভাবের ইঙ্গিত বহন করে।

বাকি বিভাগেও রাজনৈতিক বলয়ের আধিপত্য

যেসব বিভাগে নির্বাচন হচ্ছে, সেখানেও রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সংযোগ বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ঢাকা বিভাগে প্রার্থী হয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছেলে সাইদ বিন জামান।

চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর–৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর চাচা মাঈন উদ্দিন চৌধুরী।

খুলনা বিভাগে পরিচালক পদে লড়ছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবং যশোর–৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলামের ভাই শান্তনু ইসলাম।

ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক এখানে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্লাব ক্যাটাগরিতেও প্রভাবশালী পরিবারের উপস্থিতি

রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাব ক্যাটাগরির প্রার্থীদের নাম প্রকাশ না করলেও বিভিন্ন সূত্রে কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে।

এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

তাদের পারিবারিক পরিচয়ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • ইসরাফিল খসরু অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে
  • সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে
  • মির্জা ইয়াসির আব্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা–১০ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের ছেলে

এ ছাড়া ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলর হওয়া ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সালও মনোনয়নপত্র তুলেছেন। তার বাবা আবুল কালাম কুমিল্লা–৯ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য।

ক্রিকেট প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব কতটা গভীর?

বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নতুন নয়। ফুটবল, ক্রিকেটসহ বড় ফেডারেশনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক পরিচয়, ক্ষমতাকেন্দ্রিক সমর্থন এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তবে বিসিবির মতো আর্থিকভাবে শক্তিশালী এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক পরিবারের প্রভাব বাড়তে থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও পেশাদারিত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

বিশেষ করে জেলা ও বিভাগীয় কাউন্সিলর কাঠামো, ক্লাব রাজনীতি এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন ব্যবস্থা মিলিয়ে বিসিবির নির্বাচনকে অনেকেই “নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার সমীকরণ” হিসেবেও দেখছেন।

সামনে কী?

আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন ২৩ জন পরিচালক। পরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত করবে আরও দুই পরিচালক।

সব মিলিয়ে ২৫ সদস্যের বোর্ডই পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত করবে বিসিবির নতুন সভাপতি।

ফলে এবারের নির্বাচন শুধু পরিচালক বাছাই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের পরবর্তী ক্ষমতার মানচিত্র নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

খেলাধুলা

View more
ক্রিকেট বোর্ড
বিসিবি নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের আত্মীয়দের প্রভাব, একাধিক পরিচালক হচ্ছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

 ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন :বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ঘিরে আবারও সামনে এসেছে দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন। এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের একটি বড় অংশই বর্তমান সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য, মন্ত্রী কিংবা শীর্ষ নেতাদের আত্মীয়স্বজন—যাদের কেউ কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নথি, প্রার্থীদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিসিবির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কাঠামোতে রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। একক প্রার্থী, নিশ্চিত পরিচালক বিসিবি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান শুক্রবার (২২ মে) জানান, তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে নির্বাচন শুরুর আগেই কয়েকটি বিভাগে ফল কার্যত নির্ধারিত হয়ে গেছে। রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে পরিচালক পদের বিপরীতে মাত্র একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে। রংপুর বিভাগ থেকে একমাত্র প্রার্থী বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সল আমীন। রাজশাহী বিভাগে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়া–২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের ছেলে মীর শাকরুল আলম। সিলেট বিভাগে একমাত্র প্রার্থী আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের সরকার নিযুক্ত প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি। বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই পরিচালক হওয়ার এই প্রবণতা নির্বাচনী প্রতিযোগিতার সীমাবদ্ধতা এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক প্রভাবের ইঙ্গিত বহন করে। বাকি বিভাগেও রাজনৈতিক বলয়ের আধিপত্য যেসব বিভাগে নির্বাচন হচ্ছে, সেখানেও রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সংযোগ বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ঢাকা বিভাগে প্রার্থী হয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছেলে সাইদ বিন জামান। চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর–৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর চাচা মাঈন উদ্দিন চৌধুরী। খুলনা বিভাগে পরিচালক পদে লড়ছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবং যশোর–৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলামের ভাই শান্তনু ইসলাম। ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক এখানে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। ক্লাব ক্যাটাগরিতেও প্রভাবশালী পরিবারের উপস্থিতি রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাব ক্যাটাগরির প্রার্থীদের নাম প্রকাশ না করলেও বিভিন্ন সূত্রে কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং মির্জা ইয়াসির আব্বাস। তাদের পারিবারিক পরিচয়ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরাফিল খসরু অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা–১০ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের ছেলে এ ছাড়া ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলর হওয়া ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সালও মনোনয়নপত্র তুলেছেন। তার বাবা আবুল কালাম কুমিল্লা–৯ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য। ক্রিকেট প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব কতটা গভীর? বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নতুন নয়। ফুটবল, ক্রিকেটসহ বড় ফেডারেশনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক পরিচয়, ক্ষমতাকেন্দ্রিক সমর্থন এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বিসিবির মতো আর্থিকভাবে শক্তিশালী এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক পরিবারের প্রভাব বাড়তে থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও পেশাদারিত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে জেলা ও বিভাগীয় কাউন্সিলর কাঠামো, ক্লাব রাজনীতি এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন ব্যবস্থা মিলিয়ে বিসিবির নির্বাচনকে অনেকেই “নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার সমীকরণ” হিসেবেও দেখছেন। সামনে কী? আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন ২৩ জন পরিচালক। পরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত করবে আরও দুই পরিচালক। সব মিলিয়ে ২৫ সদস্যের বোর্ডই পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত করবে বিসিবির নতুন সভাপতি। ফলে এবারের নির্বাচন শুধু পরিচালক বাছাই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের পরবর্তী ক্ষমতার মানচিত্র নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৩, ২০২৬ 0
কাঁঠালিয়ায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

কাঁঠালিয়ায় প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে লিজেন্ড অফ কাঁঠালিয়ার জয়

নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

রাদারফোর্ড-মোতি

রাদারফোর্ড-মোতির নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

Japan aims to make 'new history' at Women's Asian Cup
নারী এশিয়ান কাপে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়ার লক্ষ্য জাপানের

আগামী মাসের নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা জিতে “নতুন ইতিহাস” গড়তে চায় জাপান, এমনটাই জানিয়েছেন দলের কোচ নিলস নিয়েলসেন। বৃহস্পতিবার ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন নিয়েলসেন। যেখানে তিনি ইংল্যান্ডভিত্তিক ১৬ জন খেলোয়াড়কে দলে রেখেছেন। জাপান এশিয়ার একমাত্র দেশ যারা নারী বিশ্বকাপ জিতেছে, তবে এ পর্যন্ত খেলা ২০ আসরের এশিয়ান কাপে তারা মাত্র দু’বার শিরোপা জিতেছে। সর্বশেষ শিরোপা আসে ২০১৮ সালে। জাপান নারী দলের প্রথম বিদেশী কোচ গ্রিনল্যান্ডে জন্ম নেওয়া নিয়েলসেন মনে করেন, আগামী ১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে এবারই জাপানের সামনে সেরা সুযোগ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেয়া ৫৪ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, “ঐতিহাসিকভাবে এই টুর্নামেন্ট জাপানের জন্য সহজ ছিল না। আমরা নতুন ইতিহাস গড়তে চাই। আমাদের এমন একটি দল আছে যারা শিরোপা জিততে সক্ষম। তাই ট্রফি না জেতা পর্যন্ত আমরা সন্তুষ্ট হতে পারছি না।” ২৬ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হিনাতা মিয়াজাওয়া, যিনি ২০২৩ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটির ইউই হাসেগাওয়া ও আওবা ফুজিনোও রয়েছেন। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য এবং ১৬৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার সাকি কুমাগাই এখনও দলে আছেন। জাপানের ঘরোয়া ডব্লিউই লিগ থেকে মাত্র চারজন খেলোয়াড় দলে সুযোগ পেয়েছেন। নিয়েলসেন জানান, চোট-আঘাতের সমস্যা না থাকায় চূড়ান্ত দল নির্বাচন খুব কঠিন ছিল না। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি দল পেয়েছি যেখানে সব ধরনের বৈচিত্র্য আছে। প্রায় সব পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত। একই ধরনের অনেক খেলোয়াড় আমরা নেইনি। কারণ মাঠে কাউকে বদলি করলে আমরা ভিন্ন কিছু যোগ করতে চাই।” প্রথম রাউন্ডে তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে থাকা জাপান ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে। নিয়েলসেন বলেন, “প্রতিপক্ষ যে কৌশল নিয়ে আসুক না কেন, আমাদের স্কোয়াডে তার জবাব দেওয়ার মতো সমাধান আছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
তামিম

জীবনে প্রথম ভোট দিয়ে উচ্ছসিত তামিম

Ashraful-Akbar-Saifuddin

ভোট দিলেন আশরাফুল-আকবর-সাইফুদ্দিনরা

বিসিবি পরিচালক মোখলেছুর

দুর্নীতির অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রে বিসিবি পরিচালক মোখলেছুর

নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা
নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এক অনন্য ইতিহাস গড়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। জাতির এই গৌরবময় সাফল্যকে সম্মান জানাতে ‘এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস’ লিমিটেড  মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাদের তেজগাঁও প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চিফ অপারেটিং অফিসার, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক, ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের পরিচালকসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের নারীরা আজ প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গৌরব ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। নারী ফুটবলারদের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস বরাবরের মতোই দেশের স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের অর্জনকে সম্মান জানাতে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে এবং সামাজিক ও ক্রীড়াজগতের উন্নয়নে গত ৮ বছর ধরে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের এই ঐতিহাসিক জয়কে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের এক উজ্জ্বল মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন সংশ্লিষ্টরা এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সাফল্যের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবল: কোরিয়া দক্ষিণ ও জাপান ফাইনালে মুখোমুখি

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, কৃষি ব্যাংকে নূরুল আমিন: ব্যাংক খাতে নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




অপরাধ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ৩০ বিলিয়ন ডলার জালিয়াতি ও অর্থপাচার অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

ধান

শেরপুরে বোরো ধানের দাম কমে লোকসানে কৃষকরা, উৎপাদন খরচও উঠছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0