Brand logo light
বিশেষ সংবাদ

Deaths in the Mediterranean: Case Filed Against 5 Traffickers at Jagannathpur Police Station

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
Traffickers motiur rahman
Traffickers motiur rahman

M A Rashid, Special Correspondent: A case has been filed against five traffickers and an international human trafficking network following the deaths of five young men from Jagannathpur, Sunamganj, who died in the Mediterranean Sea while attempting to travel from Libya to Greece by boat.

On Tuesday (31 March), the case was filed at Jagannathpur Police Station under the Human Trafficking and Fraud Act by Habibur Rahman, father of the deceased Aminur Rahman.

According to police and family sources, in December and January, the victims—Aminur Rahman, Ijazul Haque Moni, Sayek Ahmed, Md. Ali Ahmed, and Naim Mia—left the country through brokers, lured by promises of a better life. Each paid between 1.1 to 1.3 million BDT. They were later placed on an unsafe rubber boat in Libya.

After drifting at sea for 5–6 days without sufficient food and water, they died. It is alleged that, following instructions from traffickers, their bodies were thrown into the sea.

Officer-in-Charge (OC) Shafiqul Islam of Jagannathpur Police Station stated that the case has been filed under the Prevention and Suppression of Human Trafficking Act and the Migrant Smuggling Prevention Ordinance 2026. Police operations are ongoing to arrest the absconding suspects and uncover the roots of the international trafficking network.

The alleged ringleader of the trafficking group is an individual known by multiple names, including Motiur Rahman, Johny, Patwari, and Mithu. He is reportedly a resident of Noakhali, Bangladesh, and is currently living in East London. Serious allegations of human trafficking and immigration fraud have been raised against him.

According to victims and related sources, he was involved in illegally transporting people from Libya to Greece, charging approximately 1.1 to 1.3 million BDT per person. It is also alleged that, during such journeys, several individuals—including youths from Sylhet—faced extreme inhumane conditions, suffering from severe shortages of food and water, leading to multiple deaths at sea.

Further allegations state that proper safety measures were not ensured. Instead of large and safe vessels, small boats were used, and despite passengers’ objections, they were forcibly sent without adequate safety equipment.

Additionally, there are accusations of fraud involving false promises of jobs in the United Kingdom. It is claimed that individuals were lured with offers of care worker visas and legitimate employment, but were instead provided with fake or invalid Certificates of Sponsorship (CoS).

It should be noted that these are allegations and have not yet been proven in court. However, if proven, they would constitute serious crimes including human trafficking and immigration fraud, subject to strict legal action.

Authorities urge anyone who falls victim to such exploitation or fraud to immediately contact the relevant law enforcement agencies.

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশেষ সংবাদ

View more
পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন উপ-পরিচালক নিজামুল হক
বরিশালে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক নিজামুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল :  দেশের অন্যতম গ্রামীণ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) বরিশাল অঞ্চলের  উপ-পরিচালক মোঃ নিজামুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি,দালালি, ক্ষমতার অপব্যবহার, পদোন্নতি, প্রশাসনিক ক্ষমতা ,অর্থের অপব্যবহার ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পিডিবিএফ‑এর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা‑কর্মচারীরা তার দুর্নীতি ও অনিয়মে অতিষ্ঠ।  পিডিবিএফের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জানিয়েছেন, নিজামুল হক এক আত্মীয়ের প্রভাব ব্যবহার করে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনিয়ম করছেন অভিযোগগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি বদলি, পদায়ন এবং পদোন্নতির নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন, কিন্তু এখনো বদলি বা পদোন্নতি প্রদান করা হয়নি।   নিজামুল হকের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ:   পিডিবিএফ‑এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আত্মীয়ের প্রভাবে তিনি নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনিয়ম করছেন। প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আর্থিক ক্ষেত্রেও অনিয়োমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ সমস্ত বিষয়ে অনেক অভিযোগ নিজামুল হকের বিরুদ্ধে রয়েছে।  একাধিক লিখিত অভিযোগ প্রধান কার্যালয়ে রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। কিন্তু তার আত্মীয় থাকার কারণে এই অভিযোগের কোন সুরাহা হয়নি এখন পর্যন্ত। এছাড়া  নিজামুল হকের বিরুদ্ধে - ১. দালালি, বদলি ও নিয়োগ‑সংক্রান্ত অভিযোগ পিডিবিএফ‑এর কর্মকর্তারা জানান যে, নিজামুল হক বিভিন্ন কর্মকর্তা ও  কর্মচারীদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেয়ার মাধ্যমে বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি  পিরোজপুর অঞ্চলের পিডিবিএফ কর্মচারী নাসিমা বেগম, রুমু‑দে, তুনু রানি বিশ্বাস, মন্নান হোসেন, নার্গিস আক্তার, জাহিদ হোসেন, মিলেশ নন্দী বরিশাল  অঞ্চলের সেলিনা বেগম, রিতা রানী, ইয়াকুব হোসেনসহ আরো ৩ জনের কাছ থেকে বদলীর জন্য লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এদের দাবি, বদলির নামে একদিকে টাকা নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে আশ্বস্ত করা হয়েছে দ্রুত বদলি বা পদোন্নতি প্রদান করা হবে। অথচ এখনো তাদের বদলী করা হয়নি।টাকাও ফেরৎ দেয়নি নিজামুল হক। ২. পুরাতন মালামাল বিক্রয় ও অর্থের অপব্যবহার অভিযোগে বলা হয়, পিডিবিএফ‑এর বরিশাল অঞ্চলের উপ পরিচালকের  অফিসে থাকা পুরাতন মালামাল নিয়ম মেনে বিক্রয়ের বদলে তা থেকে অর্জিত অর্থ ব্যক্তিগত ব্যবহারে ও অস্বচ্ছভাবে ব্যক্তিগতকরণ করা হয়েছে। কর্মচারীদের বক্তব্য, টাকা ব্যয় সংক্রান্ত ভাউচার দেখিয়ে তা অফিস খাতের ব্যয়ের মতো দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।বিভিন্ন সময়ে পুরাতন মালামাল বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন । অফিসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কথা বলে মোটা অংকের ভাউচার দেখিয়ে সেগুলোকে তিনি আত্মসাৎ করেছেন। ৩. ঋণ ও সম্পত্তি বিরোধ এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন যে ২০১৮‑১৯ অর্থবছরে সাতক্ষীরা কর্মরত অবস্থায় তার সহকর্মীর কাছ থেকে অফিসের মাধ্যমে নেয়া ঋণে নিজামুল হকের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ক্রয় করা হয়। সেই টাকা এখনো পরিশোধ হয়নি, এবং ঋণ সংক্রান্ত দলিলপত্র ও ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব সম্পর্কেও প্রশ্ন উঠেছে। ৪. ব্যাঙ্ক লেনদেন ও সন্দেহজনক অর্থপ্রাপ্তি অভিযোগ অনুযায়ী, বানারীপাড়া সোনালী ব্যাংক হিসাব নম্বর ০৫০৭৮২০১০১৮৩০ থেকে চেক নং ৮৭৩১৪০৮‑এর মাধ্যমে ১,২০,০০০ টাকার বিনিময়ে বদলী করা হয়েছে।  যাদের দু’জনকে স্বরূপকাঠি ও গৌরনদীর উপজেলায় পদায়ন করেন বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেন। ৫. প্রশাসনিক ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য কর্মকর্তারা বলেন, উপ-পরিচালক কর্মকর্তাদের হয়রানি করেন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে  নিজের ব্যক্তিগত কাজে অফিস সময় ও সম্পদ ব্যবহার করেন। এসব আচরণের ফলে অফিসের কর্মপরিবেশে ‘ভয়ের পরিবেশ’ সৃষ্টি হয়েছে এবং কেউ সরাসরি অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। পিডিবিএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ:  পিডিবিএফ‑এর বরিশাল অঞ্চলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবী: স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে  অভিযোগকারীদের সঙ্গে নিরাপদ সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক লেনদেন, হিসাব ও ভাউচার যাচাই‑বাছাই,  প্রশাসনিক শক্তির অপব্যবহার ও অনিয়মের দায়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ। তারা মনে করেন, প্রমাণ‑ভিত্তিক তদন্ত হলে “যে কেউ হোক, যদি দোষী প্রমাণিত হন, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”।   উপ-পরিচালক নিজামুল হকের প্রতিক্রিয়া এ ব্যাপারে নিজামুল হক অভিযোগগুলো  অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি সব নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। এই অভিযোগগুলো ভুল তথ্যভিত্তিক ও অসত্য” তবে তিনি কোনো প্রমাণ তুলে ধরতে পারেননি। কর্মকর্তারা বলেন, “ভয়ের পরিবেশের কারণে কেউ সরাসরি অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন দেশের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। এর অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয় এবং উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো প্রভাবিত হয়। তাই নিজামুল হকের বিরুদ্ধে  অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা দরকার বলে মনে করেন পিডিবিএফ বরিশাল অঞ্চলের সাধারন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় জিম্মি

ইতালিতে কাজের প্রলোভন: লিবিয়ায় বন্দি বাংলাদেশি যুবকরা, নির্যাতন ও মুক্তিপণের অভিযোগ

বাবে রহমত

আধ্যাত্মিকতার আড়ালে হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য—দেওয়ানবাগ দরবার শরিফ ঘিরে বিস্ময়কর অনুসন্ধান

Traffickers motiur rahman

Deaths in the Mediterranean: Case Filed Against 5 Traffickers at Jagannathpur Police Station

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সচিব নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: বঞ্চিত কর্মকর্তারা, প্রভাব ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের প্রশাসনে সাম্প্রতিক সচিব নিয়োগ ও পদায়ন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা এখন কেবল অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই—বরং এটি রূপ নিয়েছে বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশ্নে। ২৫ মার্চ রাতে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৯ জন সচিব নিয়োগের পর থেকেই একের পর এক অসঙ্গতি, অভিযোগ ও অস্বচ্ছতার বিষয় সামনে আসছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত, দ্রুতই আংশিক পিছু হটা নিয়োগের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ২৯ মার্চ তিনজন সচিবের বদলির আদেশ স্থগিত করতে বাধ্য হয় সরকার। একই সঙ্গে দুইজনের দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, “এত দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন নজিরবিহীন”—যা প্রাথমিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বঞ্চিতদের তালিকা বড়, সুযোগ পেলেন মাত্র দু’জন অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত অন্তত ৫২ জন কর্মকর্তার নাম উচ্চ পর্যায়ে বিবেচনায় ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো নেতিবাচক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও তারা বারবার পদোন্নতি থেকে বাদ পড়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এই নিয়োগে সেই তালিকা থেকে মাত্র দু’জন সচিব পদে উন্নীত হয়েছেন। এতে করে প্রশাসনের একটি বড় অংশ নিজেদের আবারও উপেক্ষিত মনে করছেন। একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, “আমরা ভেবেছিলাম এবার অন্তত যোগ্যতা ও বঞ্চনার ইতিহাস বিবেচনা করা হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র।” ক্যাডার ভারসাম্যে ব্যতিক্রম, নাকি পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত? নিয়োগপ্রাপ্ত ৮ জন নিয়মিত সচিবের মধ্যে ২ জন ইকোনমিক ক্যাডার থেকে আসা—যা অতীতের তুলনায় অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসন বিশ্লেষকদের মতে, ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা সাধারণত প্রকল্প পরিকল্পনা ও মূল্যায়নে দক্ষ হলেও মাঠ প্রশাসন বা বহুমাত্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় তাদের অভিজ্ঞতা তুলনামূলক সীমিত। ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় পরিচালনায় তাদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একজন সাবেক সচিব বলেন, “এ ধরনের নিয়োগ ব্যতিক্রম হতে পারে, কিন্তু একে যদি প্রবণতা বানানো হয়, তাহলে প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।” রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা: নিয়োগে কি প্রভাব ফেলেছে? নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন কর্মকর্তার অতীত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ পূর্ববর্তী সরকারের সময় সুবিধাভোগী ছিলেন, আবার কারও বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিয়ে অভিযোগ—তারা অতীতে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সেই প্রেক্ষাপটে তাদের পদোন্নতি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ: প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ? ৯ জনের মধ্যে একজনকে চুক্তিভিত্তিক সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তার নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং পূর্ববর্তী পেশাগত অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। একজন কর্মকর্তা বলেন, “চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু প্রক্রিয়াটি যদি অস্বচ্ছ হয়, তাহলে সেটি পুরো ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।” ‘উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ’—কিন্তু কে দায় নেবে? জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই পদোন্নতিগুলো ‘উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা’ অনুযায়ী হয়েছে। তবে সেই নির্দেশনার উৎস, মানদণ্ড বা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এতে করে দায়বদ্ধতার প্রশ্ন সামনে আসছে—এই সিদ্ধান্তের দায়িত্ব আসলে কার? প্রশাসনের মনোবলে প্রভাব বিশ্লেষকরা বলছেন, পদোন্নতি ও নিয়োগে যদি স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত না হয়, তাহলে তা প্রশাসনের ভেতরে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত, তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়তে পারে, যা প্রশাসনিক কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। শেষ প্রশ্ন: সংস্কার নাকি পুনরাবৃত্তি? সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক এই নিয়োগ সেই প্রত্যাশাকে কতটা পূরণ করেছে—তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে। বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভাষায়— “পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু ব্যবস্থার পরিবর্তন কোথায়?”

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়..

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ: নিয়োগ, পদোন্নতি ও তথ্য ফাঁস নিয়ে উদ্বেগ

নাসিমা

রানা প্লাজা থেকে জীবিত উদ্ধার নাসিমা বেগম এবার পদ্মায় বাসডুবিতে নিহত

একাত্তরে যুদ্ধবন্দি ৯৩ হাজার পাকিস্তানি

একাত্তরে যুদ্ধবন্দি ৯৩ হাজার পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দি: কেন ভারতে নেওয়া হয়েছিল, কেনইবা বিচার ছাড়াই ফেরত?

হরমুজ প্রণালী
হরমুজ প্রণালী ‘শক্ত হাতে’ নিয়ন্ত্রণ করছে ইরান

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালী গত প্রায় চার সপ্তাহ ধরে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন অস্থিরতা। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে ব্যবহৃত মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহেও এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কেন বন্ধ হয়ে গেল হরমুজ প্রণালী? উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান-এর সামরিক তৎপরতা, জাহাজে হামলা এবং সরাসরি হুমকির কারণে এই রুটে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে অধিকাংশ শিপিং কোম্পানি জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তার ভৌগোলিক অবস্থান ও অপ্রচলিত যুদ্ধকৌশল—বিশেষ করে ড্রোন, সামুদ্রিক মাইন ও দ্রুতগতির নৌযান ব্যবহার করে—এই সংকটকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। ভৌগোলিক সুবিধা কীভাবে কাজে লাগাচ্ছে ইরান? হরমুজ প্রণালী সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে মাত্র ২৪ মাইল চওড়া। জাহাজ চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট লেন আরও সংকীর্ণ হওয়ায় এটি একটি “চোকপয়েন্ট” হিসেবে পরিচিত। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকীর্ণতার কারণে জাহাজের পক্ষে পথ পরিবর্তন বা আক্রমণ এড়ানো প্রায় অসম্ভব। ফলে ইরানের জন্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সহজ হয়ে যায়। ইরানের প্রায় ১,০০০ মাইল দীর্ঘ উপকূলরেখা এবং পাহাড়ি ও দ্বীপঘেরা ভূপ্রকৃতি তাদের মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা গোপন রাখতে সাহায্য করছে। জাহাজগুলোর জন্য কী ধরনের হুমকি? বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলো হলো— সামুদ্রিক মাইন ড্রোন হামলা ছোট দ্রুতগতির আক্রমণকারী নৌযান বিস্ফোরক বোঝাই চালকহীন নৌকা এই পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক “কিল জোন” হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ড। যুক্তরাষ্ট্র কী করছে? ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর পাশাপাশি তেলবাহী জাহাজে নৌবাহিনীর এসকর্ট দেওয়ার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া USS Tripoli সহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। ইরানের অর্থনৈতিক লাভ বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরান কিছু জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দিয়ে মোটা অঙ্কের ফি আদায় করছে। যদিও এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। বর্তমান পরিস্থিতি অন্তত ১৯টি জাহাজে হামলার অভিযোগ প্রায় ২,০০০ জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা সীমিত কিছু জাহাজ এখনো পারাপার করছে বিশ্লেষকদের মতে, সম্পূর্ণ চলাচল পুনরায় শুরু হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। সামনে কী হতে পারে? পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ— উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ নেই সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে জ্বালানি বাজারে চাপ বাড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ ও খাদ্য নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
লাইভ বেকারি

লাইভ বেকারির খাবারে দীর্ঘমেয়াদে রয়েছে ক্যান্সার ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

জে. মামুন খালেদের দুর্নীতি

মামুন খালেদের উত্থান ও বিতর্ক: ডিজিএফআই, আয়নাঘর ও গুম অভিযোগের অন্তরালে

ডিজিটাল সালামি

ঈদ সালামিতে বদলের হাওয়া: নগদ থেকে ডিজিটাল

অর্থনীতি

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানিতে সীমাবদ্ধতা, বাজেটে সতর্কতার পরামর্শ দিলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0




অপরাধ

বিয়াম ফাউন্ডেশন

বিয়াম ভবনে বিস্ফোরণ ও হত্যাকাণ্ড:পরিকল্পিত নাশকতার অভিযোগ, এক বছরেও থমকে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধান

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল চিকন ধান ‘জিএইউ ধান ৪’: স্বল্পমেয়াদী, উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ আউশ ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0