নজরুল ইসলাম : ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) বৃহৎ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল।সত্য নিরপেক্ষতা ও দ্বায়িত্বশীল সাংবাদবকতার প্রতীক এই শ্লোগানকে ধারন করে ইত্তেহাদ নিউজের (Etihad News) পথচলা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই অনলাইন গনমাধ্যমটি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সংবাদ, অনিসন্ধানী সংবাদ,স্পেশাল সংবাদ পাঠকদের ও ভিজিটরদের মুগ্ধ করেছে।সততা ও সাহসের সাথে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সব সময়ই ইত্তেহাদ নিউজ এগিয়ে। জনপ্রিয় এই অনলাইন মাধ্যমটির সংবাদ ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) সম্পাদকীয় পলিসি যথাযথ ভাবে অনুসরন করে আসছে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই। ইত্তেহাদ নিউজের (Etihad News) ব্যবহারের শর্তাবলী,প্রাইভেসি পলিসি রয়েছে।সবচেয়ে অনলাইন গনমাধ্যমটি সম্পাদকীয় পলিসির মাধ্যমে টরিচালনা করে আসছে।কারো কোন অভিযোগ থাকলে গনমাধ্যমটি কমপ্লাইন অপশন রেখেছে। এছাড়ানযে কেউ সম্পাদকের সাথে যোগাডোগ করার জন্য কন্টাক্ট অপশন রেখেছে।যাতে করে যে কেউ দ্রুত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।এছাড়া রয়েছে তাদের ডোগাযোগের জন্য ইমেল।তাদরর রয়েছে কুকিজ পলিসি।রয়েছে ফ্যাক্ট চেক পলিসি। গনমাধ্যমটি বিষয়ে বিস্তারবত জানতে হলে এ্যাবাউট আজএ ক্লিক করে জানতে পারবেন। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) স্বাধীনভাবে সত্য সংবাদ প্রকাশে অবিচল।কারে রক্ত চক্ষুকে ভয় করেনা।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আপনি ইত্তেহাদ নিউজের (Etihad News) সম্পাদকীয় নীতিমালা টড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) সকল গনমাধ্যম থেকে আলাদা একটি স্বাধীন গনমাধ্যম।জনস্বার্থ কে অগ্রাধীকার দিয়ে সব সময়ই সংবাদ প্রকাশ করে আসছে ইত্তেহাদ নিউজ। স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা (Editorial Independence & Impartiality) ইত্তেহাদ নিউজ Etihad News) সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় স্বাধীনতা বজায় রেখে সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো রাজনৈতিক দল, সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির প্রভাবমুক্তভাবে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। সংবাদে সব পক্ষের মতামত তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। ব্যক্তিগত মতামত ও সংবাদ প্রতিবেদনের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখা হয়। ন্যায্যতা ও ভারসাম্য (Fairness & Balance) সংবাদ পরিবেশনে ন্যায্যতা ও ভারসাম্য বজায় রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া নেওয়া হয়। নৈতিক সাংবাদিকতা (Ethical Journalism) আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার নৈতিক নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হয়। ঘৃণামূলক, সহিংসতা উসকে দেয় বা বৈষম্যমূলক কনটেন্ট প্রকাশ করা হয় না। শিশু ও সংবেদনশীল বিষয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (Transparency & Accountability) পাঠকদের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। তথ্যের উৎস যথাসম্ভব স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়। পাঠকদের মতামত ও অভিযোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়। সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। জনস্বার্থ (Public Interest) জনস্বার্থ আমাদের সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি। দুর্নীতি ও সামাজিক সমস্যার সংবাদে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তথ্য প্রকাশে আইন ও নৈতিকতার ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। ইত্তেহাদ নিউজ একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, যা স্বতন্ত্র সম্পাদকীয় টিম দ্বারা পরিচালিত। অর্থায়ন অনলাইন বিজ্ঞাপন স্পন্সরড কনটেন্ট মিডিয়া পার্টনারশিপ অন্যান্য বৈধ উৎস ইত্তেহাদ নিউজ ( Etihad News) সব সময়ই নির্ভুলতা,নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাষ করে। ইত্তেহাদ নিউজের ( Etihad News) মুলনীতি হল- যাচাই বাচাই প্রক্রিয়া - একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস যাচাই করা হয় সরকারি ও গবেষণামূলক ডেটা ব্যবহার করা হয় উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা পরীক্ষা করা হয় নৈতিকতা নীতি হল- ভুয়া বা ক্ষতিকর তথ্য প্রকাশ করা হয় না মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখা হয় সংবেদনশীল বিষয় সতর্কতার সাথে প্রকাশ করা হয় সংশোধন নীতি হল- ভুল শনাক্তকরণ তথ্য যাচাই সংশোধন প্রকাশ সংশোধন নোট যোগ যেকোন লেখক লেখা পাঠাতে পারেন। লেখা পাঠানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইত্তেহাদ নিউজ। আপনি যদি আপনার সংবাদ, প্রবন্ধ বা ফিচার পাঠাতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন: ১. সংবাদ পাঠানোর মাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজে (Etihad News) সংবাদ বা লেখা পাঠানোর প্রধান মাধ্যম হলো ইমেইল। আপনি আপনার লেখা সরাসরি নিচের ঠিকানায় পাঠাতে পারেন: ইমেইল: [email protected] অথবা [email protected] ২. সংবাদ পাঠানোর নিয়মাবলি আপনার পাঠানো সংবাদটি যাতে প্রকাশের জন্য বিবেচিত হয়, সে জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি: ফরম্যাট: সংবাদটি সাধারণত MS Word (.doc) ফাইল আকারে অথবা সরাসরি ইমেইল লিখে পাঠাতে পারেন। ছবি: সংবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট পরিষ্কার ছবি অবশ্যই যুক্ত করবেন। ছবিগুলো নিউজ ফাইলের সাতে অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে পাঠানো ভালো। তথ্যসূত্র: সংবাদটি অবশ্যই সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। কোনো সুনির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে তারিখ, স্থান এবং সঠিক তথ্য উল্লেখ থাকতে হবে। লেখকের পরিচয়: সংবাদের নিচে আপনার পূর্ণ নাম, পেশা, বর্তমান ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর যুক্ত করবেন। প্রয়োজন হলে ইত্তেহাদ নিউজ কর্তৃপক্ষ আপনার সাথে যোগাযোগ করবরন। ৩. সংবাদ নীতিমালা মৌলিকতা: লেখাটি অবশ্যই আপনার নিজের হওয়া উচিত। অন্য কোনো মাধ্যম থেকে কপি করা সংবাদ তারা গ্রহণ করে না। নিরপেক্ষতা: ইত্তেহাদ নিউজ নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা অনুসরণ করে, তাই কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি উস্কানিমূলক বা বিদ্বেষমূলক লেখা পরিহার করতে হবে। সম্পাদনা: পাঠানোর পর সম্পাদকীয় বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে সংবাদের গুণগত মান রক্ষার্থে সেটি কিছুটা পরিমার্জন বা সম্পাদনা করতে পারে। ৪. সরাসরি যোগাযোগ আপনি যদি কোনো বড় ঘটনা বা বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পাঠাতে চান, তবে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের Contact Us পাতায় গিয়ে সরাসরি বার্তা পাঠাতে পারেন।অথবা মেইলে যোগাযোগ করবেন। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad News) সম্পর্কে আরও কিছু বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: ১. পরিচালনা ও নেতৃত্ব • সম্পাদক ও প্রকাশক: এই পোর্টালটির সম্পাদক এবং প্রকাশক হলেন এম এম রহমান (M M Rahman) । • মামুনুর রশীদ নেমানী,আবাসিক সম্পাদক (বাংলাদেশ)। • সদর দপ্তর: এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত আবুধাবি থেকে পরিচালিত হয় । ২. প্রধান লক্ষ্য ও কার্যক্রম • প্রবাসীদের মুখপত্র: এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটির সুখ-দুঃখ এবং সমস্যার কথা বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়া । • অংশগ্রহণমূলক সাংবাদিকতা: পোর্টালটি "যারাই লেখক, তারাই পাঠক"—এই নীতিতে বিশ্বাসী, যেখানে পাঠকদের মতামত এবং অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হয় [। • অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা: এটি দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী এবং সাহসী সংবাদ প্রকাশের জন্য পরিচিতি পেয়েছে । ৩. সংবাদের ব্যাপ্তি ইত্তেহাদ নিউজ কেবল প্রবাস কেন্দ্রিক নয়, বরং বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খবর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচার করে । তাদের উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগ হলো: • ইত্তেহাদ স্পেশাল ও এক্সক্লুসিভ: বিশেষ প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণধর্মী খবর । • রাজনীতি ও অর্থনীতি: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বাণিজ্যিক আপডেট । • লাইভ আপডেট: সরাসরি সংবাদ সরবরাহ এবং তাৎক্ষণিক ব্রেকিং নিউজ । ৪. ডিজিটাল উপস্থিতি • অফিসিয়াল পোর্টাল: www.etihad.news • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: ফেসবুক এবং ইউটিউবে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা বিপুল সংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে । ৫. যোগাযোগ ও অভিযোগ • সরাসরি যোগাযোগ: সংবাদের প্রতিবাদ বা কোনো তথ্যের জন্য তাদের যোগাযোগ পাতা ব্যবহার করা যায়। (https://etihad.news/contact-etihad-news • অভিযোগ ফর্ম: কোনো সংবাদের মান বা তথ্য নিয়ে আপত্তি থাকলে তাদের ওয়েবসাইটে একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ ফর্ম (Complaint Form) রয়েছে, যেখানে প্রমাণসহ অভিযোগ জমা দেওয়া যায় । (https://etihad.news/complaint-form-etihad-news) লেখক : বিশেষ সংবাদদাতা, ইত্তেহাদ নিউজ,বাংলাদেশ।
ইত্তেহাদ নিউজ: ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.News) একটি জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম। ডিজিটাল যুগে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পৌঁছে দিতে “ইত্তেহাদ নিউজ” ইতোমধ্যেই পাঠকদের আস্থার জায়গা করে নিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ সংবাদকর্মীদের সমন্বয়ে এই প্ল্যাটফর্মটি তাৎক্ষণিক খবর সংগ্রহ করে প্রচার করছে। ইত্তেহাদ নিউজের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ের খবর তারা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে, কারণ তারা সহজ ভাষায় এবং দ্রুত সময়ে আপডেট পেয়ে থাকে। যাত্রার শুরু: ২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে একঝাঁক স্বপ্নবাজ সংবাদকর্মীর হাত ধরে ইত্তেহাদ নিউজের পথচলা শুরু হয়। মূলত প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটির সুখ-দুঃখ এবং সমস্যাগুলোকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরাই ছিল এই সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক লক্ষ্য। মূল লক্ষ্য ও আদর্শ: ইত্তেহাদ নিউজ শুরু থেকেই 'সততা ও সাহসিকতা' এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসীদের খবরের পাশাপাশি ডিজিটাল ও স্মার্ট সাংবাদিকতার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করতে তারা সদা সচেষ্ট। বিশেষ করে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে তারা পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছে। ডিজিটাল বিবর্তন: আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইত্তেহাদ নিউজ তাদের প্ল্যাটফর্মকে সাজিয়েছে। তাদের প্রকাশিত সংবাদগুলো দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাঠকদের কাছে পৌঁছে যায়, যা তাদের একটি শক্তিশালী অনলাইন উপস্থিতিতে পরিণত করেছে। জনপ্রিয়তার কারণ: সংবাদ: বিদেশের মাটিতে থাকা বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে এবং তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে তাদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা: ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সোচ্চার । নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন: দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সঠিক সংবাদটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তারা প্রশংসিত। প্রান্তিক মানুষের কথা: সমাজের কৃষক, শ্রমজীবী ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাকে তারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে। সহজবোধ্য উপস্থাপনা: আধুনিক ও স্মার্ট ডিজাইনের মাধ্যমে সংবাদগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করা হয়েছে। সাংবাদিকতার নীতিমালা: সততা,নিরপেক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যতাকে তাদের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে । কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই বা Fact-check করার ওপর গুরুত্বারোপ করে । অনুসন্ধানী সংবাদ ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) তাদের সাহসী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য পরিচিত। বিশেষ করে সরকারি প্রকল্পের অনিয়ম এবং প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন বেশ সাড়া ফেলেছে। ইত্তেহাদ নিউজের অনুসন্ধানী সংবাদের বৈশিষ্ট্য: তথ্যভিত্তিক প্রমাণ: তারা কেবল অভিযোগ নয়, বরং নথিপত্র ও তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশন করে। জনস্বার্থ: সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা কোথায় অপচয় হচ্ছে বা প্রবাসীরা কোথায় প্রতারিত হচ্ছে—এগুলোই তাদের মূল ফোকাস। নিরপেক্ষতা: রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সরাসরি অনিয়মের মূল হোতাদের নাম প্রকাশে তারা পিছপা হয় না। কাজের ক্ষেত্র: বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সমসাময়িক ঘটনাবলি এবং রাজনৈতিক সংবাদ পরিবেশন । প্রবাসী কমিউনিটির সুখ-দুঃখ এবং বিশেষ সংবাদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান । সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষ, যেমন—শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরা । বর্তমান সময়ে ইত্তেহাদ নিউজ কেবল একটি সংবাদ মাধ্যম নয়, বরং পাঠকদের আস্থার একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি ইত্তেহাদ নিউজ তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লাইভ আপডেট সেবা চালু করেছে, যা পাঠকদের কাছে ঘটনাস্থলের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। পাশাপাশি ভুয়া খবর প্রতিরোধে তারা কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করছে। এমন উদ্যোগ গণমাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। ভবিষ্যতে ইত্তেহাদ নিউজ আরও আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলা ভাষাভিত্তিক আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলি তুলে ধরছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইত্তেহাদ নিউজ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দৃঢ় অবস্থান ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ প্রকৃত তথ্য জানতে পারে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই সংবাদমাধ্যম। নৈতিক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— সততা ও নির্ভুলতা: সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা হয়। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরিচয় গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকে। মিথ্যা সংবাদ বর্জন: বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে ইত্তেহাদ নিউজ। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই সংবাদমাধ্যমের অন্যতম লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। যেমন— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত ধর্ম, প্রযুক্তি ও মিডিয়া ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তাই যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় এই সংবাদমাধ্যম। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করাই ইত্তেহাদ নিউজের অঙ্গীকার। 📌 আরও সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ ফিচার পেতে ভিজিট করুন: 👉 https://www.etihad.news
বাংলা ভাষাভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। প্রবাসীদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ইত্তেহাদ নিউজ। অল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এই সংবাদমাধ্যম। ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক বিষয়গুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করে আসছে। নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) কঠোরভাবে অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো মেনে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে— সততা ও নির্ভুলতা: যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করা হয়। নিরপেক্ষতা: রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাম গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করা হয় না। মিথ্যা ও প্রপাগান্ডা বর্জন: ইত্তেহাদ নিউজ কখনোই অসত্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে না। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। সমাজের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করাই এই সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করছে— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত মিডিয়া, ধর্ম ও প্রযুক্তি ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মার্জিত ভাষা ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার কারণে ইত্তেহাদ নিউজ বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একটি নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সোচ্চার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি অধিকার আদায়ের একটি আন্দোলন। তাই যেখানে অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় ইত্তেহাদ নিউজ। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতা চর্চায় পাঠক ও সাংবাদিকদের উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের অঙ্গীকার।
বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।
অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তত তিনজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা নির্বাচন বিলম্বিত করার এক নানামুখী কৌশলে লিপ্ত ছিলেন—এমন অভিযোগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক ভাবনা থাকলেও পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস। দ্রুত নির্বাচন থেকে সরে আসা: চাপ নাকি কৌশল? সূত্র বলছে, দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে অধ্যাপক ইউনূস স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বিবেচনা করছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়, যা বাস্তবায়নের জন্য সময় প্রয়োজন—এই যুক্তি সামনে আনা হয়। সমালোচকদের মতে, এসব সংস্কারের আড়ালে ক্ষমতার মেয়াদ দীর্ঘায়নের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল ছিল। তিন উপদেষ্টার যুক্তি ছিল—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক, প্রশাসন অস্থিতিশীল, দ্রুত নির্বাচন দিলে অনাকাঙ্ক্ষিত শক্তির উত্থান ঘটতে পারে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই যুক্তির পেছনে ছিল বিশেষ উদ্দেশ্য: সময়ক্ষেপণ করে নিজেদের পছন্দের শক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ সুগম করা। ‘মব সন্ত্রাস’ কৌশলের হাতিয়ার? একাধিক ঘটনার বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রশাসনিক অস্থিরতা ও মব সন্ত্রাস পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এসব অস্থিরতা ইচ্ছাকৃতভাবে উসকে দেওয়া হয়েছিল রাজনৈতিক পরিবেশ অনিশ্চিত রাখতে। বিশেষ করে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে অগ্নিসংযোগের ঘটনার দিন প্রশাসনের রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে অস্বাভাবিক বিলম্ব করে। কে বা কারা সেই নির্দেশ দিয়েছিল—তা এখনো অজানা। অধ্যাপক ইউনূস পরে এক সিনিয়র সাংবাদিককে জানান, ঘটনার সময় তিনি অবগত ছিলেন না। এতে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। আঞ্চলিক শক্তির চাপ ও ‘লন্ডন বৈঠক’ রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তি দ্রুত নির্বাচন চেয়েছিল। তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল নেতৃত্বে পরিবর্তন নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক চাপ ও নিজস্ব রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনমুখী হতে বাধ্য হন অধ্যাপক ইউনূস। লন্ডন বৈঠক ছিল সেই প্রক্রিয়ার অংশ। তবে নির্বাচনবিরোধী উপদেষ্টারা বৈঠকের আগেই নানা অপপ্রচার চালান। তারা বিদেশি কূটনীতিকদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, নির্বাচন হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। প্রশাসন কবজায় নেওয়ার চেষ্টা সন্ধ্যাকালীন গোপন বৈঠক, অনানুষ্ঠানিক শক্তির প্রভাব এবং প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা—সব মিলিয়ে এক সময় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, অধ্যাপক ইউনূস কার্যত সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু উপদেষ্টা বিদেশ সফরেও কূটকৌশলে যুক্ত ছিলেন। একজন উপদেষ্টা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশে সফরকালে সাময়িকভাবে ‘নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে। ফরমায়েশি জনমত জরিপ? আরেকটি অভিযোগ—জনমত জরিপকে ব্যবহার করা হয়েছে মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে। টেবিলে বসে তৈরি করা জরিপ বিদেশি দূতাবাসে প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সেখানে বলা হয়েছে, দ্রুত নির্বাচন হলে অপ্রত্যাশিত শক্তির উত্থান ঘটবে। পরিকল্পনা ‘প্ল্যান ২’ কী ছিল? নির্বাচনের দিন পর্যন্ত কিছু উপদেষ্টার তৎপরতা ছিল নির্দিষ্ট কিছু আসনকেন্দ্রিক। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে বুঝতে পেরে তারা ‘প্ল্যান ২’ বাস্তবায়ন থেকে সরে আসেন বলে জানা যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, পরিকল্পনাটি ছিল— নির্বাচন ভণ্ডুলের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, অথবা প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতার অজুহাতে জরুরি অবস্থা সদৃশ কাঠামো জোরদার করা, অথবা নেতৃত্বে পরিবর্তনের পথ সুগম করা। তবে জনচাপ, আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার এই ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—ক্ষমতা কি সত্যিই নিরপেক্ষ হাতে ছিল, নাকি আড়ালে চলছিল একাধিক শক্তির সমান্তরাল খেলা? নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক তৎপরতা—সব মিলিয়ে বিষয়টি ভবিষ্যৎ গবেষণা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
শিক্ষা খাতে তিন অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেগুলো হলো শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি, জাতীয় কারিকুলাম রিভিউ ও পরিমার্জন এবং কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন। পাশাপাশি ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া ১৮০ দিনের রোডম্যাপের মাধ্যমে কোন পর্যায়ে কিভাবে বাস্তবায়িত হবে তা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অগ্রাধিকারের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে মনিটরিং জোরদার করা হবে। শিক্ষা খাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নৈতিকতা, জবাবদিহি ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শিক্ষকদের দলীয়করণ ও শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকতার মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের পাঠদান। দাবিদাওয়া থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে, কিন্তু ক্লাস ফেলে রাজপথে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও দাবি বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথেই অগ্রসর হবে। ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারি বিধি-বিধানের বাইরে থেকে পরিচালিত হতে পারবে না। মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, যত্রতত্র অনিবন্ধিত বা অস্থায়ী অবকাঠামোয় স্কুল পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয়। নিবন্ধন ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ থাকবে না। বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এই ট্রাস্ট দ্রুত পুনর্গঠন এবং বকেয়া ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি সরকারের তাত্ক্ষণিক অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীর (আইএসএফ) জন্য সেনা পাঠানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ৫টি দেশ। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত পরিষদ ‘বোর্ড অব পিস’র বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। যে কয়েকজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা আইএসএফের সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে আছেন, তাদের মধ্যে মেজর জেনারেল জেফার্স অন্যতম। জেনারেল জেফারস বলেন, প্রথম পাঁচটি দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে (আইএসএফ) সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে। তাছাড়া, মিশর ও জর্ডান পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জেফারস জানান, আন্তর্জাতিক এই বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে দক্ষিণ গাজার রাফাহ অঞ্চল থেকে। সেখানে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে পুরো গাজার বিভিন্ন সেক্টরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। জেনারেল জেফারস আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বাহিনীতে মোট ২০ হাজার আন্তর্জাতিক সেনা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একইসঙ্গে গাজার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১২ হাজার স্থানীয় পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের আওতায় গাজা পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই নিরাপত্তা বাহিনীকে অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল নগরীতে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ওয়েবসাইট ও হটলাইন চালু করার জোরালো দাবি উঠেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অপরাধীদের দমনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের দাবি ভুক্তভোগীদের মতে, অনেক সময় সরাসরি অভিযোগ জানাতে গিয়ে সাধারণ মানুষ হয়রানির ভয়ে পিছিয়ে আসেন। ফলশ্রুতিতে, অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। যদি একটি ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট বা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা হটলাইন নম্বর থাকে, তবে পরিচয় গোপন রেখেও দ্রুত অভিযোগ জানানো সম্ভব হবে। তাছাড়া, ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করলে চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করা প্রশাসনের জন্য অনেক সহজ হবে। এর ফলে বরিশালের ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও প্রত্যাশা বরিশাল নগরীর বাসিন্দারা মনে করেন, সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণের পথ সহজ করতে হবে। অন্যদিকে, হটলাইন চালু হলে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাওয়ার পথ সুগম হবে। প্রশাসন যদি দ্রুত এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে, তবে বরিশালে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বব্যাপী ঢালাওভাবে শুল্ক আরোপ বা গ্লোবাল ট্যারিফ নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট।উচ্চ আদালত রায় দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন "প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না"।রায়ে বলা হয়েছে জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য সংরক্ষিত আইনকে ব্যবহার করে শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ট্রাম্প তার কর্তৃত্বের সীমা অতিক্রম করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী, এ ধরনের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়ে বলেন, প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের মতো অসাধারণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন দেখাতে হবে। তিনি তা করতে পারেন না। এপ্রিল মাসে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের পণ্যের উপর ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মি. ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় একে 'অপমানজনক' বলে অভিহিত করেছেন। সরাসরি হোয়াইট হাউজ থেকে প্রতিক্রিয়া না এলেও, গভর্নরদের সাথে এক বৈঠকে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেছেন । ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রতি রিপাবলিকানদের সমর্থন বা চিন্তাভাবনা একরকম ছিল না। অনেকেই নিজ নিজ এলাকার ভোটারদের চাপের মুখে পড়েছেন, যারা শুল্কের প্রভাবের মুখে পড়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রতীকীভাবে কিছু রিপাবলিকান ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে শুল্ক প্রত্যাহারের চেষ্টা করেছেন। যেমন কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের সিনেটর মিচ ম্যাকওনেল গত বছর প্রকাশ্যে শুল্কের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, "বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতার প্রকৃত খরচ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়ে, ফলে তারা সবক্ষেত্রেই বেশি দাম দিচ্ছেন।" এই রায় ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা হলেও প্রশাসন অন্য আইনও ব্যবহার করতে পারে এবং হোয়াইট হাউস থেকে বড় নীতিগত পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। এমন বিশ্লেষণ করছেন বিবিসির আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিষয়ক সংবাদদাতা থিও লেগেট। কিন্তু অন্য পদ্ধতিতে শুল্ক আরোপ করতে গেলে কংগ্রেসের অনুমোদন বা বাণিজ্য দপ্তরের তদন্ত প্রয়োজন হতে পারে, যা বেশি সময় নিতে পারে।ফলে এই রায় একদিকে নিশ্চিত করেছে যে, প্রেসিডেন্ট এই নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে শুল্ক আরোপ করতে পারবেন না। অন্যদিকে নতুন অনিশ্চয়তাও সৃষ্টি করেছে। কারণ মার্কিন আমদানিকারকরা ইতিমধ্যে যে শুল্ক পরিশোধ করে ফেলেছেন, তা ফেরতের ক্ষেত্রে কী হবে- তা এখনও স্পষ্ট নয়। সে শুল্ক ফেরত দিতে হলে মার্কিন সরকারের জন্য বিশাল অর্থ খরচ হতে পারে।সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের কিছু বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা বাতিল করার আগেই, কিছু বড় মার্কিন কোম্পানি ইতিমধ্যে পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পেতে মামলা করেছিল।সুপ্রিম কোর্টের রায় কীভাবে কার্যকর হবে, সেটাও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। আইন প্রতিষ্ঠান পিলসবারি-এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের প্রধান স্টিভ বেকার বিবিসিকে বলেন, আদালতের রায় কীভাবে কার্যকর হবে- তা নির্ধারণের দায়িত্ব থাকবে কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের ওপর।আবার ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে অন্য আইনের মাধ্যমে শুল্ক আরোপের বিকল্প পরিকল্পনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করছেন মি. বেকার। তিনি উদাহরণ দেন, এখন তিনি এমন একটি আইন ব্যবহার করতে পারেন, যা প্রেসিডেন্টকে ১৫০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের অনুমতি দেয়। সেক্ষেত্রে তিনি নির্দিষ্ট দেশ বা খাতকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারেন।আদালত আবার কিছু শুল্ক বহালও রেখেছে, যেগুলো নির্দিষ্ট দেশ থেকে নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছিল। এতে প্রশাসনের সামনে শুল্ক নীতি পুনর্গঠনের একটি সম্ভাব্য পথ রয়ে গেছে। যাই হোক, ট্রাম্প এই ইস্যু সহজে ছেড়ে দেবেন—এমন সম্ভাবনা কম। হোয়াইট হাউসে প্রার্থী হওয়ার অনেক আগ থেকেই তিনি শুল্ক নিয়ে সোচ্চার।সুপ্রিম কোর্ট তার এককভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করলেও, তিনি এই অবস্থান সহজে ত্যাগ করবেন না বলে ধারণা দিচ্ছেন বিবিসির ওয়াশিংটন সংবাদদাতা ড্যানিয়েল বুশ।
ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলা ভাষায় পরিচালিত একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টালের নাম ইত্তেহাদ নিউজ ((Etihad.news)। প্রবাসীদের খবর এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে ইত্তেহাদ নিউজের পথচলা শুরু হয়। সৎ ও সাহসিকতার সাথে দুর্নীতি, অনিয়মের অনুসন্ধানী মুলক সংবাদ প্রকাশ করে আসছে ইত্তেহাদ নিউজ। সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক খবর প্রকাশ করে।সাংবাদিকতায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মার্জিত ভাষার জন্য ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) জনপ্রিয়। বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। সংবাদের জন্য ইত্তেহাদ নিউজ সাধারণ পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) নিজেদের 'ঐতিহ্যবাহী' এবং 'নির্ভরযোগ্য' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং অধিকার আদায়ের আন্দোলন হিসেবে কাজ করে আসছে ইত্তেহাদ নিউজ । ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) মেনে সংবাদ প্রকাশ করে।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) এর সাংবাদিকরা সততা এবং নির্ভরযোগ্যতার সাথে সংবাদ তৈরি করে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো অনুসরন করে আসছে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই। ইত্তেহাদ নিউজ সব সময় - সততা ও নির্ভুলতা: কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করে নেয়। নিরপেক্ষতা: সংবাদের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত না করেই সংবাদ প্রকাশ করে। গোপনীয়তা রক্ষা: তথ্যের উৎসের (Source) নিরাপত্তার খাতিরে অনেক সময় নাম গোপন রাখা সাংবাদিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক দিক। সেদিক শতভাগ নিশ্চিত করে ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। ক্ষতি না করা: এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করেনা ইত্তেহাদ নিউজ যাতে করে রাষ্ট্র বা সমাজ বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি বা ক্ষতির কারণ হয়। ইত্তেহাদ নিউজ সব সময় মিথ্যা,প্রপাগান্ডা ও অসৎ সংবাদ প্রকাশ করেনা।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়,নিপিড়িত,নির্যাতিত, কৃষক, শ্রমিক ও অসহায় মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে।প্রকাশ করে আসছে সব সমস্যা ও সম্ভাবনার সংবাদ। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) গুরুত্বের সাথে এশিয়া,মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক,বাংলাদেশ,রাজনীতি,অনুসন্ধানী সংবাদ,বিনোদণ,সম্পাদকীয়,অর্থনীতি,খেলাধুলা,মতামত,মিডিয়া,ধর্ম,প্রযুক্তি,ফিচার,ভ্রমন,শিক্ষা,সাহিত্য,স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সব সময়ই সততা,নির্ভুলতা ও পক্ষপাতহীন সংবাদ প্রকাশ করছে।সততা ও ন্যায্যতার সাথে সাংবাদিকতা চর্চায় উৎসাহ করছে।নৈতিক ও দ্বায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সব সময়ই সোচ্চার।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে।যেখানেই অনিয়ম সেখানেই সোচ্চার ইত্তেহাদ নিউজ(Etihad.news)। এম. এম. রহমান প্রধান সম্পাদক ইত্তেহাদ নিউজ ইমেইল: [email protected] Web: https://etihad.news .সংবাদের জন্য: [email protected] .বিজ্ঞাপনের জন্য: [email protected] .যেকোনো তথ্যের জন্য: [email protected] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম …… .ফেসবুক: https://www.facebook.com/Etihadnewsuae .ইউটিউব:https://www.youtube.com/@etihadnewsmail .টুইটার: https://twitter.com/EtihadNews24 .ইনস্টাগ্রাম : https://www.instagram.com/etihadnewsuae
etihad news is one of the famous Bangla news portals published from Abudhabi-UAE. It has begun with a commitment to fearless, investigative, informative, and independent journalism. This online portal has started to provide real-time news updates with maximum use of Smart Technology ডিজিটাল ও স্মার্ট সাংবাদিকতার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলা ভাষায় যাত্রা শুরু করেছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম “ইত্তেহাদ নিউজ”। ২০২০ সালে এই গণমাধ্যমটির প্রচার ও প্রকাশনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে কার্যক্রম কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বর্তমানে পূর্ণোদ্যমে এগিয়ে চলেছে ইত্তেহাদ নিউজ। ইত্তেহাদ নিউজের মূল লক্ষ্য—বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য, আধুনিক ও অংশগ্রহণমূলক সংবাদমাধ্যম তৈরি করা। এখানে অনুসৃত নীতিই হলো—“যারাই লেখক, তারাই পাঠক”। অর্থাৎ পাঠকরাই তাদের নিজস্ব ভাষা, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সংবাদ তৈরি ও প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক, ফিচার, অনুসন্ধানী সংবাদ, প্রযুক্তি, মতামতসহ বিভিন্ন বিভাগে পাঠকদের চাহিদা ও পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাকছে ভিডিও সংবাদ, যা দেখা যাবে অ্যাপ, ইউটিউব, টুইটারসহ সকল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। “ইত্তেহাদ নিউজ” অনলাইন সাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিদিন পরিবেশন করছে নানামুখী খবর, বিশ্লেষণধর্মী লেখা এবং শিক্ষণীয় প্রতিবেদন—ভিডিও ও টেক্সট উভয় ফরম্যাটে। এই সংবাদমাধ্যম থেকে প্রচারিত উন্নতমানের ও বিশ্বাসযোগ্য কনটেন্ট বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পাঠক ও দর্শক ইন্টারনেটের মাধ্যমে পড়তে, শুনতে ও দেখতে পারছেন। ইত্তেহাদ নিউজের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবী সদর দপ্তর থেকে। এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব ও সাইপ্রাসে রয়েছে নিজস্ব সংবাদদাতা। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সংবাদদাতাদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ইত্তেহাদ নিউজের প্রতিনিধিরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন তরতাজা সংবাদ, তথ্য ও বিশ্লেষণ, যা দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হচ্ছে এই প্ল্যাটফর্মে। ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই নতুন উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এম. এম. রহমান প্রধান সম্পাদক ইত্তেহাদ নিউজ ইমেইল: [email protected] Web: https://etihad.news .সংবাদের জন্য: [email protected] .বিজ্ঞাপনের জন্য: [email protected] .যেকোনো তথ্যের জন্য: [email protected] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম …… .ফেসবুক: https://www.facebook.com/Etihadnewsuae .ইউটিউব:https://www.youtube.com/@etihadnewsmail .টুইটার: https://twitter.com/EtihadNews24 .ইনস্টাগ্রাম : https://www.instagram.com/etihadnewsuae
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ। ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে। কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে। কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি। মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।